সিন্ধু – আঞ্চলিক শক্তির উত্থান (Indus – Rise of regional power)

সিন্ধু – আঞ্চলিক শক্তির উত্থান – আধুনিক যুগের ইতিহাস (Indus – Rise of regional power)

সিন্ধু : ১৭৮৩ খ্রিস্টাব্দে বালুচিস্তানের আমীর ছিলেন কালােরাস বা কলােরাস। সিন্ধু প্রদেশ হায়দরাবাদ, মীরপুর এবং ক্ষীরপুর এই তিনটি প্রদেশে বিভক্ত ছিল। প্রতিটি প্রদেশে আলাদা আলাদা উপজাতি গােষ্ঠী শাসন করত। ব্রিটিশরা সিন্ধু জয়ের জন্য আগ্রহী হয়ে পড়ে। কারণ—
1. সিন্ধু প্রদেশে বাণিজ্যের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি ছিল।
2. পূর্বদিকে ফরাসী ভীতি দেখা যায়।
3. সিন্ধু জয় করে ইংরেজরা পারস্য ও আফগানিস্তানের উপর প্রভাব বিস্তার করতে চেয়েছিল।
১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে লর্ড মিন্টো সিন্ধুর আমীরের কাছে একজন দূত পাঠান। দূত হিসাবে আলেকজান্ডার বানেস সিন্ধু প্রদেশে যান। ১৮৩২ খ্রিস্টাব্দে সিন্ধুর সঙ্গে লর্ড বেন্টিঙ্কের একটি চুক্তি হয়। সিন্ধু প্রদেশ ইংরেজদের বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত করে দেন। ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে লর্ড অকল্যান্ড সিন্ধুর আমীরকে বাধ্য করেন ‘অধীনতামূলক মিত্রতা’ নীতি গ্রহণ করতে। লর্ড এলেনবরা সিন্ধু প্রদেশ দখলের সিদ্ধান্ত নেন। ১৮৪২ খ্রিস্টাব্দে চার্লস নেপিয়ারকে মেজর জেমস আউট্রাম -এর পরিবর্ত হিসাবে পাঠানাে হয়। ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দে নেপিয়ার ইমামগড় দুর্গ ধ্বংস করেন। ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দে সিন্ধুর বালুচিরা ইংরেজ রেসিডেন্স আক্রমণ করেন। মিয়ানির যুদ্ধে নেপিয়ার বালুচিসদের পরাস্ত করেন। দাবার যুদ্ধে স্যার চার্লসনেপিয়ার মীরপুরের আমীর শের মহম্মদকে পরাস্ত করেন এবং তাকে সিন্ধু থেকে বিতাড়িত করা হয়। ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সিন্ধুদেশ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করে স্যার চার্লস নেপিয়ারকে পাঞ্জাবের গভর্নর নিযুক্ত করা হয়।

জাঠ শক্তির উত্থান


শিখ শক্তির উত্থান ও পতন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

thirteen + 5 =