ভারতীয় সংবিধানের ধারাসমূহ (Articles of the Indian Constitution)

ভারতীয় সংবিধানের ধারাসমূহ (১-৩৯৫) [Articles of the Indian Constitution (1-395)]

সূচিপত্র

ভারতীয় ইউনিয়ন ও তার ভূখণ্ড (Union and its Territory)

1. ভারতীয় ইউনিয়ন ও ভূখণ্ডগত এলাকা।
2. নতুন রাজ্যের সূচনা ও গঠন।
3. রাজ্যের সীমানা পরিবর্তন বা ভূখণ্ডগত এলাকার পরিবর্তন ও রাজ্যের নাম পরিবর্তন।
4. নতুন রাজ্যের সূচনা, রাজ্যের সীমানার পরিবর্তন ইত্যাদির জন্য সংবিধানের প্রথম ও চতুর্থ তফশিলেরসংশােধনজনিত ব্যবস্থা।

নাগরিকতা (Citizenship)

5. ভারতীয় সংবিধান চালু বা কার্যকর হবার সময়ে নাগরিকতা সম্পর্কিত বিষয়।
6. যে সমস্ত ব্যক্তি পাকিস্তান থেকে ভারতে এসেছে, সেই সমস্ত ব্যক্তিদের ‘নাগরিকত্ব অধিকার’ (Rights of citizenship) প্রদান।
7. যে সমস্ত ভারতীয় পাকিস্তানে বসবাস করছে, তাদের নাগরিকতাজনিত অধিকার প্রদান।
8. যে সমস্ত ভারতীয় বংশােদ্ভূত (NRI) ব্যক্তি ভারতের বাইরে বসবাস করছে, তাদের বিশেষ নাগরিকত্বের অধিকার প্রদান।
9. সে সমস্ত ব্যক্তি বিদেশী কোনাে রাষ্ট্রের নাগরিকতা গ্রহণ করেছে তারা ভারতীয় নাগরিক হিসাবে গণ্য হবে না।
10. নাগরিকদের অধিকার সংক্রান্ত বিষয়।
11. পার্লামেন্ট নাগরিকতার বিষয়টি আইন প্রণয়নের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করবে।

মৌলিক অধিকারসমূহ (Fundamental Rights)

12. রাষ্ট্রের সংজ্ঞা ও বর্ণনা।
13. মৌলিক অধিকারগুলির সাথে সঙ্গতিহীন আইন অথবা মৌলিক অধিকারগুলিকে খর্ব করে এমনআইন বাতিলযােগ্য।
14. সাম্যের অধিকার।
15. জাতি, ধর্ম, বর্ণ, স্ত্রী, পুরুষ, জন্মস্থান ইত্যাদি নির্বিশেষে যে-কোনাে প্রকার বৈষম্যকে নিষিদ্ধকরণ।
16. সরকারী চাকুরীলাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকদের সমান সুযােগ-সুবিধা প্রদান।
17. অস্পৃশ্যতা নিষিদ্ধকরণ।
18. পদবীগ্রহণ নিষিদ্ধকরণ।
19. (i) বাক্ ও মতামত প্রকাশের অধিকার। (ii) শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্রভাবে সমবেত হওয়ারঅধিকার। (iii) সমিতি বা সংঘ গঠনের অধিকার। (iv) ভারতের সর্বত্র স্বাধীনভাবে চলাফেরার অধিকার। (v) ভারতের ভূখণ্ডের যে-কোনাে অংশে বসবাস করার অধিকার। (vi) যে-কোনাে বৃত্তি অবলম্বন করার, অথবা যে-কোনাে উপজীবিকা, ব্যবসা-বাণিজ্য চালানাের অধিকার।
20. কোনাে অপরাধের জন্য নাগরিককে বিধিবহির্ভূত ও অতিরিক্ত শাস্তিপ্রদান করা যাবে না।
21. জীবন ও ব্যাক্তিগত স্বাধীনতার সংরক্ষণ।
21 A. প্রাথমিক শিক্ষাকে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতিপ্রদান।
22. গ্রেপ্তার ও আটক রাখার বিরুদ্ধে সংরক্ষণমূলক ব্যবস্থা। কোনাে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলে সত্বর তাকে গ্রেপ্তারের কারণ জানাতে হবে।
23. বলপ্রয়ােগের দ্বারা পরিশ্রম করানাে, বেগার খাটানাে নিষিদ্ধকরণ।
24. ১৪ বছরের কম বয়স্ক শিশুদের কলকারখানা, খনি বা অন্য কোনাে বিপজ্জনক কাজে নিযুক্ত করা নিষিদ্ধ।
25. সকল ব্যক্তিই সমানভাবে বিবেকের স্বাধীনতা অনুসারে ধর্মস্বীকার, ধর্মাচরণ এবং ধর্মপ্রচারের স্বাধীনতা ভােগ করবে।
26. প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় বা গােষ্ঠী নিজের ধর্মীয় সংগঠন ও কার্যাদি পরিচালনা করতে পারবে।
27. ধর্মীয় কারণে কোনাে ব্যক্তিকে কর দিতে বাধ্য করা যাবে না।
28. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় শিক্ষার ক্লাসে ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি তাদের ইচ্ছাধীন।
29. সংখ্যালঘুশ্রেণীর নাগরিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়সমূহ।
30. সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিবর্গ নিজেদের পছন্দমতাে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনা করতে পারবে।
31. ধারাটি বাতিল করা হয়েছে।
32. মৌলিক অধিকারগুলিকে বলবৎ করার জন্য পাঁচটি লেখ বা আদেশ (writs) জারী সংক্রান্ত বিষয়াদি।
33. সশস্ত্র বাহিনীর মৌলিক অধিকারসমূহ পার্লামেন্ট আইন প্রণয়নের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।
34. কোনাে অঞ্চলে সামরিক আইন বলবৎ থাকাকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে মৌলিক অধিকারের উপর বিধিনিষেধ আরােপিত হতে পারে।
35. মৌলিক অধিকারগুলিকে রক্ষার্থে প্রয়ােজনীয় আইন প্রণয়ন।

রাষ্ট্রের নির্দেশমূলক নীতিসমূহ (Directive Principles of State Policy)

36. রাষ্ট্রের সংজ্ঞা।
37. রাষ্ট্রের নির্দেশমূলক নীতিগুলির প্রয়ােগ সংক্রান্ত বিষয়।
38. জনগণের কল্যাণার্থে রাষ্ট্র সামাজিক শৃঙ্খলা সংরক্ষণ করবে।
39. রাষ্ট্র কতকগুলি আদর্শজনিত কার্যাদি পালন করবে।
39A. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও দীন-দরিদ্রদের জন্য বিনা অর্থে আইনগত সাহায্যদান।
40.পঞ্চায়েত ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠা ও গ্রামীণ স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা।
41. কতকগুলি বিশেষ ক্ষেত্রে রাষ্ট্র কর্মের, শিক্ষার ও সরকারী সাহায্যলাভের অধিকারসমূহকে সুনিশ্চিত করবে।
42. রাষ্ট্র কাজের মানবিক পরিবেশ সৃষ্টি করবে ও প্রসূতিদের জন্য প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
43. জীবনধারণের উপযুক্ত মজুরী প্রদান, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও গ্রামে কুটীর শিল্পের প্রসার ইত্যাদি। 
43A. শিল্পকারখানার প্রশাসনে শ্রমিকদের অংশগ্রহণের সুযােগ প্রতিষ্ঠা।
44. রাষ্ট্র সমগ্র ভারতে একই দেওয়ানী বিধি (Uniform Civil Code) প্রবর্তনের চেষ্টা করবে।
45. ছয় বছরের নীচের শিশুদের প্রতি যত্ন নিতে হবে এবং তাদের শিক্ষার জন্য বন্দোবস্ত করতে হবে।
46. তফশিলী জাতি, তফশিলী উপজাতি ও অন্যান্য পশ্চাদপদ শ্রেণীগােষ্ঠীর মানুষদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে। 
47. রাষ্ট্র নাগরিকদের স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার মানের। উন্নয়ন ঘটাবে ও পুষ্টিকর খাদ্যের মান উন্নয়ন করবে।
48. কৃষিব্যবস্থা ও পশুপালন ব্যবস্থাকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানসম্মত। উপায়ে গড়ে তুলবে এবং গাভী ও অন্যান্য)। গৃহপালিত পশুর হত্যা নিষিদ্ধ করবে।
48A. রাষ্ট্র পরিবেশের সংরক্ষণ ও উন্নয়ন ঘটাবে এবং বন ও বন্যপ্রাণীর সংরক্ষণ করবে।
49. রাষ্ট্র ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধগুলি ও অন্যান্য জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলির সংরক্ষণ করবে।
50. রাষ্ট্র দেশের বিচারব্যবস্থাকে শাসন বিভাগ থেকে মুক্ত রাখবে।
51. রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে সুনিশ্চিত করবে।

মৌলিক কর্তব্যসমূহ (Fundamental Duties)

51A. মৌলিক কর্তব্যসমূহ।

ভারতের রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি

52. ভারতে একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন।
53. কেন্দ্রের শাসন সংক্রান্ত ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে থাকবে।
54. রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন একটি নির্বাচনী সংস্থা (electoral college) কর্তৃর্ক।
55. রাষ্ট্রপতির নির্বাচন পদ্ধতি।
56. রাষ্ট্রপতির শাসনকার্যের সময়কাল ও শর্ত। তিনি ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন।
57. রাষ্ট্রপতি পুনঃনির্বাচিত হতে পারবেন।
58. রাষ্ট্রপতিপদে নির্বাচিত হবার যােগ্যতা।
59. রাষ্ট্রপতিপদে আসীন হবার শর্ত।
60. রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ।
61. রাষ্ট্রপতির ইমপিচমেন্ট বা পদচ্যুতি সংক্রান্ত বিষয়।
62. রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে উপরাষ্ট্রপতি তার পদে আসীন হন। তবে দু’মাসের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতির জন্য নির্বাচন করতে হয়।
63. ভারতে একজন উপরাষ্ট্রপতি থাকবেন।
64. ভারতের উপরাষ্ট্রপতি হলেন পদাধিকারবলে (Ex- Officio) রাজ্যসভার চেয়ারম্যান পদে আসীন হন।
65. রাষ্ট্রপতির অবর্তমানে রাষ্ট্রপতি পদের দায়িত্বভার বহন করবেন উপরাষ্ট্রপতি এবং উপরাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি অনুপস্থিত থাকাকালীন সময়ে রাষ্ট্রপতিপদে আসীন হবেন।
66. উপরাষ্ট্রপতির নির্বাচন পদ্ধতি।
67. উপরাষ্ট্রপতি পদের সময়কাল।
68. আগের উপরাষ্ট্রপতির কার্যকালের মেয়াদ শেষ হবার পূর্বেই নতুন উপরাষ্ট্রপতির নির্বাচন করতে হয়। 
69. উপরাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ।
70. আকস্মিক পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমতা ভােগ ও দায়িত্ব পালন।
71. রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতির নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়।
72. রাষ্ট্রপতির ক্ষমাপ্রদর্শন করার ক্ষমতা।
73. কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশাসনিক ক্ষমতার সম্প্রসারণ।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীপরিষদ ও অ্যাটর্নী-জেনারেল

74. রাষ্ট্রপতিকে সাহায্য ও পরামর্শ দেবার জন্য কেন্দ্রে একটি মন্ত্রীপরিষদ থাকবে।
75. কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার গঠন প্রণালী।
76. ভারতে একজন অ্যাটী-জেনারেল থাকবেন।
77. কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যপ্রণালী বা শাসনপ্রণালী।
78. প্রধানমন্ত্রীর কর্তব্য রাষ্ট্রপতিকে সরকার মন্ত্রীপরিষদের সিদ্ধান্ত বিষয়ে অবহিত করা।

ভারতীয় পার্লামেন্ট

79. পার্লামেন্টের গঠনতন্ত্র।
80. রাজ্যসভার গঠনপ্রণালী।
81. লােকসভার গঠনপ্রণালী।
82. জনগণনার পর পার্লামেন্টের উভয় কক্ষের আসন সংখ্যার পরিবর্তন বা সংশােধন।
83. পার্লামেন্টের কার্যকালের সময়সীমা।
84. পার্লামেন্টের সদস্য হবার যােগ্যতা।
85. পার্লামেন্টের অধিবেশন আহ্বান ও স্থগিত রাখা।
86. পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে রাষ্ট্রপতির বার্তা বা বক্তব্য পেশের অধিকার।
87. পার্লামেন্টের বিশেষ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির বিশেষ বার্তা (Special address) প্রেরণ।
88. পার্লামেন্টের সদস্য না হয়েও পার্লামেন্টের অভ্যন্তরে অ্যাটর্ণী-জেনারেল বক্তব্য রাখতে পারবেন।
89. রাজ্যসভায় একজন চেয়ারম্যান ও একজন ডেপুটি চেয়ারম্যান থাকবেন।
90. রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যানের পদচ্যুতি।
91. চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি চেয়ারম্যান রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন।
92. চেয়ারম্যান অথবা ডেপুটি চেয়ারম্যান রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করতে পারেন না, যখন তাদের বিরুদ্ধে পদচ্যুতির প্রস্তাব নিয়ে আলােচনা চলে।
93. লােকসভায় একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার থাকবেন।
94. লােকসভার স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের পদচ্যুতি সংক্রান্ত বিষয়াদি।
95. স্পীকারের অবর্তমানে ডেপুটি স্পীকার লােকসভার সভাপতিত্ব করবেন।
96. স্পীকার অথবা ডেপুটি স্পীকার লােকসভায় সভাপতিত্ব করতে পারবেন না, যখন তাদের বিরুদ্ধে পদচ্যুতির প্রস্তাব নিয়ে আলােচনা চলবে।
97. লােকসভার স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার ও রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যানের বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত বিষয়। এঁদের বেতন ও ভাতা দেওয়া হয় ভারতের সঞ্চিত ব্যয় তহবিল থেকে (Consolidated Fund of India)।
98. পার্লামেন্টের সচিবালয়।
99. পার্লামেন্টের সদস্যদের শপথ গ্রহণ।
100. পার্লামেন্টের ভােটদান পদ্ধতি ও কোরাম (quo- rum) সংক্রান্ত বিষয়।
101. পার্লামেন্টের আসন শূন্য হলে।
102. পার্লামেন্টের সদস্যদের যােগ্যতা হারানাের বিষয়। অর্থাৎ সদস্যদের অযােগ্যতার কারণসমূহ।
103. পার্লামেন্টের সদস্যদের সদস্যপদ খারিজ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
104. শপথ গ্রহণের পর ভােটদান সম্পর্কিত বিধিনিষেধ।
105. পার্লামেন্টের সদস্যদের ক্ষমতা ও সুযােগ-সুবিধা প্রদান।
106. পার্লামেন্টের সদস্যদের বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত বিষয়াদি।
107. বিল উত্থাপন ও পাস সংক্রান্ত বিষয়।
108. বিশেষ ক্ষেত্রে পার্লামেন্টের যৌথ অধিবেশন আহ্বান।
109. অর্থবিলের ক্ষেত্রে বিশেষ সাংবিধানিক পদ্ধতির বন্দোবস্ত।
110. কেন্দ্রীয় অর্থবিলের সংজ্ঞা।
111. বিল-এর উপর সম্মতি প্রদান।
112. বাৎসরিক আর্থিক রিপাের্ট বা বাজেট।
113. পার্লামেন্টে আনুমানিক ব্যয় সংক্রান্ত পদ্ধতি।
114. পার্লামেন্টে ‘বিনিয়ােগ আইন’ (Appropriation Act) পাস।
115. পার্লামেন্টের অতিরিক্ত ও সহায়ক অর্থ মঞ্জুর।
116. গণনানুদান (Votes on account), প্রত্যয়ানুদান (Votes of Credit) ইত্যাদি বিষয়াদি।
117. অর্থবিষয়ক বা রাজস্ব বিল (Financial Bill) সংক্রান্ত বিষয়।
118. পার্লামেন্টে আইন পাসের পদ্ধতি।
119. অর্থ সংক্রান্ত কাজে পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রণ।
120. পার্লামেন্টে ব্যবহার্য ভাষা।
121. পার্লামেন্টে আলােচনার উপর নিয়ন্ত্রণ আরােপ। বিচারপতিদের কোনাে সিধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে আলােচনা করা যায় না।
122. পার্লামেন্টের কার্যাদিসমূহ আদালতের এক্তিয়ারভুক্ত বিষয় নয়। 
123. পার্লামেন্টের অবসরকালীন সময়ে (During recess of Parliament) রাষ্ট্রপতির অর্ডিন্যান্স বা অধ্যাদেশ জারীর ক্ষমতা।

সুপ্রীমকোর্ট

124. ভারতীয় সুপ্রীমকোর্টের গঠনতন্ত্র।
125. বিচারপতিদের বেতন ও ভাতা।
126. কার্যনির্বাহী (Acting Chief Justice) প্রধান বিচারপতির নিয়োগ।
127. অস্থায়ী বিচারপতির নিয়ােগ।
128. সুপ্রীমকোর্টে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের উপস্থিতি।
129. সুপ্রীমকোর্ট অভিলেখ আদালত’ (Court of Record) হিসাবে কাজ করে।
130. সুপ্রীমকোর্টের আসন।
131. সুপ্রীমকোর্টের মূল এলাকা (Original jurisdiction)।
132. হাইকোর্ট থেকে সুপ্রীমকোর্টে আপীল করা ও সুপ্রীমকোর্টের আপীল এলাকা (Appellate jurisdiction)।
133. পৌর সংক্রান্ত ক্ষেত্রে (Civil cases) সুপ্রীমকোর্টের আপীল এলাকা।
134. ফৌজদারী সংক্রান্ত ক্ষেত্রে (Criminal cases) সুপ্রীমকোর্টের আপীল এলাকা.।
135. যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত (Federal Court ) এর ক্ষমতাগত এলাকা ও ভূমিকা।
136.  অন্যান্য আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করার জন্য সুপ্রীমকোর্ট বিশেষ অনুমতি দিতে পারে।
137. সুপ্রীমকোর্টের নির্দেশ বা রায় পর্যালােচনা (Review of orders by the Supreme Court)।
138. সুপ্রীমকোর্টের ক্ষমতাগত এলাকার সম্প্রসারণ।
139. ভারতের যে-কোনাে আদালত বা ট্রাইব্যুনালের রায়, আদেশ বা দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করার জন্য ‘বিশেষ অনুমতি’ (Special leave) সুপ্রীমকোর্ট দিতে পারে।
139A. বিশেষ কিছু মামলার স্থানান্তর (Transfer of centre cases)।
140. সুপ্রীমকোর্টের অন্যান্য ক্ষমতাসমূহ (Auxillary powers of Supreme Court)।
141. সুপ্রীমকোর্টের নির্দেশ বা আদেশ দেশের সমস্ত আদালত মেনে চলতে বাধ্য থাকবে।
142. সুপ্রীমকোর্টের নির্দেশ বা আদেশ (decress) জারী করার ক্ষমতা।
143. রাষ্ট্রপতি আইন সংক্রান্ত প্রশ্নে সুপ্রীমকোর্টের পরামর্শ চাইতে পারেন।
144. সুপ্রীমকোর্টের সহায়তাদান।
145. সুপ্রীমকোর্ট পরিচালনার নিয়মকানুন। 
146. সুপ্রীমকোর্টের ও কর্মচারীদের জন্য ব্যয় বা খরচজনিত বিষয়।
147. সুপ্রীমকোর্টের ব্যাখ্যা সংক্রান্ত বিষয়।

ভারতের নিয়ন্ত্রক ও মহাগণনা পরীক্ষক (The Comptroller and Auditor-General of India)

148. ভারতে একজন নিয়ন্ত্রক ও মহাগণনা পরীক্ষক থাকবেন।
149. ভারতের নিয়ন্ত্রক ও মহাগণনা পরীক্ষকের ক্ষমতা ও কার্যাবলী।
150. কেন্দ্র ও রাজ্যসরকারগুলির হিসাবপত্র কিভাবে সংরক্ষিত হবে তা নিয়ন্ত্রক ও মহাগণনা পরীক্ষকের পরামর্শ অনুসারে রাষ্ট্রপতি স্থির করবেন।
151. অডিট রিপাের্ট।

রাজ্যপাল (Governor)

152. রাজ্যের সংজ্ঞা (Defination of State)।
153. সাধারণভাবে প্রতি অঙ্গরাজ্যে একজন রাজ্যপাল থাকবেন।
154. রাজ্যের প্রশাসনিক ক্ষমতা (Executive power of State) রাজ্যপালের হাতে ন্যস্ত।
155. রাজ্যপাল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন।
156. রাজ্যপাল পদের কার্যকাল।
157. রাজ্যপাল পদে নিযুক্ত হবার যােগ্যতা।
158. রাজ্যপাল পদে নিযুক্ত হবার শর্ত।
159. রাজ্যপালের শপথ গ্রহণ।
160. বিশেষ পরিস্থিতিতে (in certain contingencies) রাজ্যপালের ভূমিকা বা কার্যকারিতা।
161. রাজ্যপালের ক্ষমতা প্রদর্শনের ক্ষমতা।
162. রাজ্যের প্রশাসনিক ক্ষমতার সম্প্রসারণ।
163. রাজ্যপালকে সাহায্য ও পরামর্শ প্রদানের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রীপরিষদ থাকবে এবং রাজ্যপাল সেই পরামর্শ মেনে তার দায়িত্ব পালন করবেন। তবে ‘স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা’ (Discretionary powers) ভােগের ক্ষেত্রে রাজ্যপাল মন্ত্রীপরিষদের পরামর্শ মেনে চলতে বাধ্য নন।
163 (1). রাজ্যপাল স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা ভােগের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ক্ষমতা ভােগ করে থাকেন।
164. রাজ্যপাল মন্ত্রীসভাকে অর্থাৎ সরকারকে নিযুক্ত করেন।
164 (I), মন্ত্রীদের কার্যকালের মেয়াদ রাজ্যপালের সন্তুষ্টির উপর নির্ভরশীল।
165. রাজ্যের অ্যাডভােকেট-জেনারেল পদের স্বীকৃতি।
166. রাজ্যসরকারের কার্য বা ভূমিকাসমূহ।
167. রাজ্যপালকে প্রয়ােজনীয় তথ্যাদি প্রদান করা মুখ্যমন্ত্রীর কর্তব্য।

অঙ্গরাজ্যের আইনবিভাগ (State Legislature)

168. অঙ্গরাজ্যের আইন বিভাগের গঠনতন্ত্র।
169. রাজ্য বিধানপরিষদের সৃষ্টি বা বিলুপ্তির পদ্ধতিগত বিষয়।
170. রাজ্য বিধানসভার (Legislative Assembly) গঠন।
171. রাজ্য বিধানপরিষদের (Legislative Council) গঠন।
172. রাজ্য আইনসভার মেয়াদ বা কার্যকাল।
173. রাজ্য আইনসভার সদস্যদের যোগ্যতা।
174. রাজ্য আইনসভার অধিবেশন, অধিবেশন আহ্বান ও স্থগিত বা ভেঙ্গে দেওয়া।
175. রাজ্যপাল রাজা আইনসভার উভয়কগেঃ বক্তব্য রাখতে পারেন অথবা বার্তা পাঠাতে পাৱেন।
176. বিশেষ পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের বিশেষ বক্তৃতা বা বার্তা প্রদান।
177. রাজ্য আইনসভার সদস্য না হয়েও, অ্যাডভােকেট জেনারেল রাজ্য আইনসভায় বক্তব্য রাখতে পারেন।
178. রাজ্য বিধানসভায় একজন পীকার ও অপর একজন ডেপুটি স্পীকার থাকবেন।
179. রাজ্য বিধানসভার স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার পদত্যাগ ও পদচ্যুতি সম্পর্কিত বিষয়াদি।
180. রাজ্য বিধানসভার স্পীকারের অবর্তমানে স্পীকার পদে ডেপুটি স্পীকারের অবস্থান ও স্পীকার হিসাবে দায়িত্ব পালন।
181. রাজ্য বিধানসভায় স্পীকারের পদচ্যুতি সংক্রান্ত প্রস্তাব (a resolution for his removal) আলােচনার সময় স্পীকার সভার সভাপতিত্বরতে পারেন না।
182. বিধানপরিষদে (Legislative Council) একজন চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যান থাকবেন।
183. বিধানপরিষদে চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যানের পদত্যাগ ও পদচ্যুতি সংক্রান্ত বিষয়াদি।
184. বিধানপরিষদে চেয়ারম্যানের অবর্তমানে ডেপুটি চেয়ারম্যানের চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব গ্রহণ ও পালন।
185. বিধানপরিষদের চেয়ারম্যানের পদচ্যুতি সংক্রান্ত gets (a resolution for his removal) আলােচনার সময় চেয়ারম্যান সভার সভাপতিত্ব করতে পারেন না।
186. বিধানসভার স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার এবং বিধানপরিষদের চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যানের বেতন ও ভাতাসমূহ যা রাজ্যের সঞ্চিত ব্যয় তহবিল থেকে প্রদত্ত হয়।
187. রাজ্য আইনসভার সচিবালয় (Secretariat of State Legislature) )। 
188. রাজ্য আইনসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ।
189. রাজ্য আইনসভায় ভােটগ্রহণ পদ্ধতি ও কোরাম (quorum) সম্পর্কিত বিষয়।
190. আইনসভার আসন খালি বা শূন্য হলে।
191. রাজ্য আইনসভার সদস্যপদের যােগ্যতা হারানো।
192. রাজ্য আইনসভার কোনাে সদস্যের সদস্যপদের যােগ্যতা প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠতে পারে। সে ক্ষেত্রে রাজ্যপালের সিদ্ধান্তই হল চূড়ান্ত।
193. আইনসভার সদস্যদের আচরণ সম্পর্কিত বিষয় বা নিয়মনীতি মেনে চলা সম্পর্কিত বিষয়।
194. রাজ্য আইনসভার সদস্যদের ক্ষমতা ও অন্যান্য সুযােগ-সুবিধা।
195. রাজ্য আইনসভার সদস্যদের বেতন ও ভাতা।
196. রাজ্য আইনসভায় আইন পাসের পদ্ধতি।
197. বিধানপরিষদের ক্ষমতার উপর নিয়ন্ত্রণ।
198. অর্থ বিল (Money Bill) কেবলমাত্র বিধানসভাতেই উত্থাপন করা যায় এবং অর্থবিল পাসের পদ্ধতি।
199. রাজ্যের অর্থবিলের সংজ্ঞা (Definition of Money Bill)।
200. রাজ্যপাল রাজ্য আইনসভা কর্তৃক অনুমােদিত কোনাে বিলে তার সম্মতি না প্রদান করে রাষ্ট্রপতির অনুমতির জন্য সংশ্লিষ্ট বিলটিকে সংরক্ষণ করতে পারেন এবং তার কাছে পাঠাতে পারেন।
201. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক অ-অনুমােদিত কোনাে বিল রাজ্য আইনসভায় পুনরায় গৃহীত হলেও রাষ্ট্রপতির নিকট পুনরায় তা ফেরত পাঠানাে হলে রাষ্ট্রপতি তাতে সম্মতি প্রদান করতে বাধ্য থাকেন না।
202. রাজ্য সরকারের বাজেট বা বাৎসরিক আর্থিক বিবরণী (Annual Financial Statement)।
203. রাজ্য আইনসভায় অর্থবিষয়ক কার্যপদ্ধতি।
204. ‘বিনিয়ােগ বিল’ (Appropriation Bills) সম্পর্কিত বিষয়।
205. পার্লামেন্টের অতিরিক্ত ব্যয় বরাদ্দের দাবী মঞ্জুর করা।
206. গণনানুদান (Votes on Account) সম্পর্কিত বিষয়।
207. রাজস্ব বিলের ক্ষেত্রে বিশেষ সাংবিধানিক ব্যবস্থাদি।
208. রাজ্য আইনসভার কার্যপদ্ধতি।
209. অর্থ সংক্রান্ত কাজকর্মে রাজ্য আইনসভার নিয়ন্ত্রণমূলক ক্ষমতা।
210. রাজ্য আইনসভায় ব্যবহার্য ভাষা।
211. রাজ্য আইনসভায় আলােচনার উপর নিয়ন্ত্রণ।
212. আদালত রাজ্য আইনসভার কাজকর্মে কোনাে হস্তক্ষেপ বা অনুসন্ধান চালাতে পারবে না।
213. রাজ্যপালের অর্ডিন্যান্স বা অধ্যাদেশ (Ordinances) জারী করার ক্ষমতা।

হাইকোর্ট

214. রাজ্যে হাইকোর্টের উপস্থিতি।
215. হাইকোর্টগুলি অভিলেখ আদালত (Court of Record) হিসাবে কাজ করে।
216. হাইকোর্টের গঠন।
217. হাইকোর্টের বিচারপতিদের নিয়ােগ ও কার্যের শর্তাবলী।
218. সুপ্রীমকোর্ট ও হাইকোর্টে বিশেষ আপীল সংক্রান্ত বিষয়।
219. হাইকোর্টের বিচারপতিদের শপথ গ্রহণ।
220. স্থায়ী বিচারপতিদের আইনজীবী হিসাবে কাজের উপর নিষেধাজ্ঞা।
221. হাইকোর্টের বিচারপতিদের বেতন ও ভাতা।
222. হাইকোর্টের বিচারপতিদের এক আদালত থেকে অন্য আদালতে বদলী বা স্থানান্তর।
223. কার্যনিবাহী প্রধান বিচারপতির (Acting Chief Justice) নিয়ােগ।
224. অতিরিক্ত বিচারপতি ও কার্যনির্বাহী বিচারপতিগণের নিয়ােগ।
224.A অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের প্রয়ােজনে পুনর্নিয়ােগ।
225. হাইকোর্টের ক্ষমতা বা বিচার করার এক্তিয়ার বা এলাকা।
226. হাইকোর্টের লেখ বা নির্দেশ (writs) জারী করার ক্ষমতা।
227. রাজ্যের অন্যান্য আদালতগুলির উপর হাইকোর্টের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধান।
228. হাইকোর্টের বিশেষ বিশেষ মামলার স্থানান্তর।
229. হাইকোর্ট ও তার কর্মচারীদের পরিচালনাজনিত ব্যয়ভার বা খরচজনিত বিষয়।
230. কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে হাইকোর্টের এলাকা বা এক্তিয়ার।
231. দুই বা ততােধিক রাজ্যের জন্য একটি সাধারণ হাইকোর্ট গঠন।
232. ধারাটি বাতিল করা হয়েছে (Repealed)।

রাজ্যে অধস্তন আদালতসমূহ

233. জেলা জজ বা বিচারপতিদের নিয়ােগ।
234. জেলা জজ ছাড়া অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়ােগ সম্পর্কিত বিষয়।
235. অধস্তন আদালতগুলির উপর নিয়ন্ত্রণ আরােপ।
236. ব্যাখ্যা সম্পর্কিত বিষয়।
237. জেলা জজ সম্পর্কিত বিষয়।
23৪. বর্তমানে বাদ দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহ

239. কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহের প্রশাসনিক ব্যবস্থা।
239 A. নির্দিষ্ট কতকগুলি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য আইনসভা ও মন্ত্রীপরিষদ গঠন।
239 AA. কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দিল্লীর জন্য বিশেষ সাংবিধানিক। ব্যবস্থা।
239 AB. শাসনতান্ত্রিক অচলাবস্থা সংক্রান্ত বা রাষ্ট্রপতি শাসনজনিত ব্যবস্থা।
239 B. আইনসভার অধিবেশন বন্ধ থাকাকালীন সময়ে অর্ডিন্যান্স বা অধ্যাদেশ জারী করার ক্ষমতা।
240. কতকগুলি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির। বিশেষ ক্ষমতা ভােগ।
241. কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের হাইকোর্ট।
242. ধারাটি বাতিল করা হয়েছে।

পঞ্চায়েত

243. পঞ্চায়েতের সংজ্ঞা।
243 A. গ্রাম সভা।
243 B. পঞ্চায়েতের নিয়মাবলী।
243 C. পঞ্চায়েতের গঠন।
243 D. পঞ্চায়েতে আসন সংরক্ষণ।
243 E. পঞ্চায়েতের কার্যকাল বা মেয়াদ।
243 F. পঞ্চায়েতের সদস্যদের যােগ্যতা।
243 G.পঞ্চায়েতের ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও দায়িত্বসমূহ।
243 H. পঞ্চায়েতের কর (taxes) আরােপের ক্ষমতা ও তহবিল গঠন।
243 I. পঞ্চায়েতের আর্থিক হিসাব পরীক্ষার জন্য অর্থ কমিশন গঠন।
243 J. পঞ্চায়েতের আয়ব্যয় সম্পর্কিত হিসাবসমূহ।
243 K. পঞ্চায়েতের নির্বাচন পদ্ধতি ও বিষয়।
243 L. কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ক্ষেত্রে নিয়মকানুন।
243 M. নির্দিষ্ট কতকগুলি অঞ্চলকে বাদ দেওয়া।
243 N. পঞ্চায়েত সম্পর্কিত আইনকানুন।
243 0. পঞ্চায়েত নির্বাচনে আদালতের হস্তক্ষেপ বা এক্তিয়ারের উপর নিয়ন্ত্রণ আরােপ।

পৌরব্যবস্থা (Municipalities)

243 P পৌরব্যবস্থার সংজ্ঞা।
243 Q. পৌরব্যবস্থার নিয়মকানুন।
243 R. পৌরসভার গঠন।
243 S. পৌরসভার ওয়ার্ড কমিটির (Wards Committee) গঠন ও নিয়মকানুন।
243 T. পৌরসভায় আসন সংরক্ষণ।
243 U. পৌরসভার মেয়াদ বা কার্যকাল।
243 V. পৌরসভার সদস্যদের যােগ্যতাসমূহ।
243 W. পৌরসভার ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও দায়িত্বসমূহ।
243 X. পৌরসভার কর (Taxes) আরােপ করার ক্ষমতা ও তহবিল গঠন।
243 Y. পৌরসভার অর্থ কমিশন গঠন।
243 Z. পৌরসভার আয়-ব্যয়ের হিসাব (Audit of Ac- counts) পরীক্ষা।
243 Z A. পৌরসভার নির্বাচন।
243 Z B. কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পৌরসভার নিয়মকানুন।
243 Z C. কতকগুলি ক্ষেত্রে পৌরব্যবস্থাকে বাদ দেওয়া।
243 Z D. জেলা পরিকল্পনা কমিটি গঠন।
243 Z E. মেট্রোপলিটান পরিকল্পনার (Metropolitan Planning) রচনার জন্য কমিটি গঠন।
243 Z F. পৌরব্যবস্থার পূর্ণতা আইনাসমুহের ধারাবাহিকতা রক্ষা।
243 Z G. পৌরসভার নির্বাচনে আদালতের হস্তক্ষেপ করার উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ।

তফশিল ও উপজাতিভুক্ত অঞ্চল

244. তপশিলভুক্ত অঞ্চল ও উপজাতিভূক্ত অপলগুলির জন্য বিশেষ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ।
244A.. আসাম রাজ্যের বিশেষ উপজাতি অধ্যুষিত অঞ্চলের জন্য স্বয়ংশাসিত সংস্থা গঠন করা।

কেন্দ্র রাজ্যের মধ্যে আইনগত সম্পর্ক

245. পার্লামেন্ট ও রাজ্য আইনসভার আইন প্রণয়নের এক্তিয়ার।
246. পার্লামেন্ট ও রাজ্য আইনসভার আইন প্রণয়নের বিষয়বস্তু (Subject matter of Laws)।
247. পার্লামেন্টের ‘অতিরিক্ত আদালত’ (Additional Courts) গঠনের ক্ষমতা।
248. ‘অবশিষ্ট ক্ষমতা’ (Residuary powers) পার্লামেন্টকে অর্পণ।
249. জাতীয় স্বার্থে পার্লামেন্টের রাজ্য তালিকাভুক্ত বিষয়ে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা।
250. জরুরী অবস্থাকালীন সময়ে পার্লামেন্টের রাজ্য তালিকাভুক্ত বিষয়ে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা।
251. জাতীয় স্বার্থে এবং জরুরী অবস্থায় পার্লামেন্ট প্রণীত কোনাে আইনের সঙ্গে কোনাে রাজ্য আইনসভার আইনের অসঙ্গতি হলে পার্লামেন্টের আইনই বলবৎ হবে এবং পার্লামেন্টের আইন বলবৎ থাকাকালীন সময়ে রাজ্য আইনের অসঙ্গতিপূর্ণ অংশ প্রযুক্ত হবে না।
252. দুই বা ততােধিক রাজ্য আইনসভা প্রস্তাব গ্রহণের মাধ্যমে অনুরােধ করলে পার্লামেন্ট রাজ্য তালিকাভূক্ত নির্দিষ্ট কোনাে বিষয়ে স্বাভাবিক অবস্থাতেও আইন প্রণয়ন করতে পারবে।
253. কোনাে আন্তর্জাতিক সন্ধি, চুক্তি বা অঙ্গীকার এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গৃহীত প্রস্তাব কার্যকর করার জন্য পার্লামেন্ট রাজ্য তালিকাভুক্ত যে-কোনাে বিষয়ে আইন প্রণয়ন করতে পারে।  
254. পার্লামেন্ট প্রণীত আইনের সঙ্গে রাজ্য আইনসভা প্রণীত আইনের সামঞ্জস্য থাকতে হবে।
255. কেন্দ্র-রাজ্যের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে পূর্ব অনুমােদন।

কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে প্রশাসনিক সম্পর্ক (Centre-State Administrative Relations)

256. কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারগুলির প্রশাসনিক এক্তিয়ার। প্রয়ােজনে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারগুলিকে যে-কোনাে নির্দেশ দিতে পারে।
257. কতকগুলি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারগুলির উপর নিয়ন্ত্রণ আরােপ করতে পারে।
258. কেন্দ্র রাজ্য সরকারগুলিকে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে প্রয়ােজনীয় ক্ষমতা ও দায়িত্ব প্রদান করতে পারে।
259. এই ধারাটিকে বর্তমানে বাদ দেওয়া হয়েছে।
260. ভারতের বাইরের কোনাে অঞ্চলের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতার এক্তিয়ার বা পরিধি।
261. কেন্দ্র ও রাজ্যের প্রশাসনিক সম্পর্ক। আন্তঃরাজ্য নদী ও নদী-উপত্যকাগুলিকে নিয়ে।
262. বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে বিরােধ মীমাংসার জন্য পার্লামেন্ট আইন প্রণয়ন করতে পারে। 263. আন্তঃরাজ্য পরিষদ (Inter-State Council) গঠন।

কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে আর্থিক সম্পর্ক (Centre-State Financial Relations)

264. কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে আর্থিক সম্পর্কের ব্যাখ্যা।
265. নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ ছাড়া কোনাে কর (Tax) আরােপ করা যায় না।
266. কেন্দ্রের ও রাজ্য সরকারের সঞ্চিত ব্যয় তহবিল ও হিসাবপত্র।
267. ভারতের আকস্মিক ব্যয় তহবিল (Contingency Fund of India) ও তার গঠন।
268. কতকগুলি কর আছে যা আরােপ করে কেন্দ্র, কিন্তু সংগ্রহ ও ভােগ করে রাজ্যগুলি। স্ট্যাম্প কর, ঔষধপত্র ও প্রসাধন সামগ্রীর উপর কর এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। তবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কর ধার্য ও সংগ্রহ করে কেন্দ্র।
269. কতকগুলি কর আরােপ ও সংগ্রহ করে কেন্দ্র (Taxes levied and collected by the union) কিন্তু সংগৃহীত অর্থ রাজ্যগুলির মধ্যে বণ্টন করা হয়। এই বণ্টনের নীতি নির্ধারিত হয় পার্লামেন্ট প্রণীত আইনের মাধ্যমে। অ-কৃষি সম্পত্তির উপর উত্তরাধিকার কর ও সম্পত্তি কর, সংবাদপত্র ও বিজ্ঞাপনের উপর কর প্রভৃতি এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।
270কতকগুলি কর আছে যা কেন্দ্রীয় সরকার আরােপ ও সংগ্রহ করে, কিন্তু সংগৃহীত অর্থ কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির মধ্যে বণ্টিত হয়। আয়কর ও উৎপাদন শুল্ক এই শ্রেণীর কর।
271. নির্দিষ্ট কতকগুলি কর ও শুল্কের উপর কেন্দ্র অতিরিক্ত কর ও শুল্ক ধার্য করতে পারে।
272. এই ধারাটিকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
273. পাট ও পাটজাত দ্রব্যের উপর রপ্তানি শুল্কের পরিবর্তে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সাহায্য প্রদান।
274. কর সম্পর্কিত সেইসব বিল উত্থাপনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির পূর্ণ অনুমতি গ্রহণ আবশ্যক যে সব বিল রাজ্যের স্বার্থের সঙ্গে জড়িত।
275. নির্দিষ্ট কতকগুলি রাজ্যকে কেন্দ্রের আর্থিক অনুদান প্রদান।
276. বৃত্তি, পেশা, ব্যবসা ও চাকুরীর উপর রাজ্য-সরকার কতৃর্ক আরােপিত কর।
277. সঞ্চয় (Savings) সম্পর্কিত বিল।
278. এই ধারাটি বাদ দেওয়া হয়েছে (Repealed)।
279. জরুরী অবস্থার সময় কেন্দ্র রাজ্যের অর্থনৈতিক সম্পর্কটি পরিবর্তিত হবে।
280. অর্থ কমিশনের গঠন ও ভূমিকা।
281. অর্থ কমিশনের সুপারিশ প্রদান রাষ্ট্রপতিকে।
282. কেন্দ্র ও রাজ্য তাদের সংগৃহীত রাজস্ব থেকে খরচের ব্যয়ভার বহন করে। তবে প্রয়ােজনে রাজ্যকে কেন্দ্র অনুদান ও ঋণ প্রদান করতে পারে।
283. সঞ্চিত ব্যয় তহবিল, আকস্মিক ব্যয় তহবিল ও অন্যান্য সরকারী তহবিলে অর্থের যােগান।
284. আদালত ও সরকারী কর্মচারী কর্তৃক গৃহীত অর্থ।
285. রাজ্যের করের আওতা থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পত্তির অব্যাহতি (Exemption of property of the union from state taxation)।
286. রাজ্য-সরকার কর্তৃক কর আরােপের উপর নিয়ন্ত্রণ। আমদানী বা রপ্তানীর উদ্দেশ্যে ক্রয়-বিক্রয়ের উপর রাজ্য সরকার কোনাে বিক্রয় কর ধার্য করতে পারবে না।
287. ভারত সরকার বা ভারত সরকারের কোনাে সংস্থা যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে পার্লামেন্টের অনুমােদন ছাড়া রাজ্যগুলি তার উপর কোনাে বিদ্যুৎ কর (taxes on electricity) আরােপ করতে পারে না।
288. রাষ্ট্রপতির পূর্ব অনুমতি ছাড়া কোনাে অঙ্গরাজ্য জল বা বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপর কোনাে কর আরােপ করতে পারে না।
289. কেন্দ্রীয় সরকারের করের নিয়ন্ত্রণ বা আওতা থেকে রাজ্যের সম্পত্তি ও আয়ের অব্যাহতি।
290. পেনসন ও অন্যান্য খরচের ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলির মধ্যে সমঝােতা।
291. বর্তমানে ধারাটিকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
292. কেন্দ্রীয় সরকার দেশের ভেতর থেকে বা বিদেশ থেকে ঋণ গ্রহণ করতে পারে।
293. অঙ্গরাজ্যগুলির ঋণ গ্রহণের ক্ষমতা। তবে রাজ্যগুলি কেবলমাত্র দেশের ভেতর থেকেই ঋণ গ্রহণ করতে পারে।

সরকারের ক্ষমতা ও দায়িত্বসমূহ (Rights and Liabilities of the Government)

294. কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য-সরকারগুলি প্রয়ােজনে তাদের সম্পত্তি, অধিকার, দায়-দায়িত্ব (Property, assets, rights and liabilities) ইত্যাদি অর্জন করতে পারবে যেগুলি ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্যে অবস্থান করছে।
295. অন্যান্য ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য-সরকারগুলি প্রয়ােজনে সম্পদ ও সম্পত্তি অর্জন করতে পারবে।
296-300. কেন্দ্র ও রাজ্য-সরকার কর্তৃক দায়িত্ব পালন।

সম্পত্তির অধিকার (Right to Property)

300A. আইনস্বীকৃত কর্তৃপক্ষ ছাড়া কোনাে ব্যক্তিকে তার সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। তাই বর্তমানে সম্পত্তির অধিকার একটি আইন স্বীকৃত অধিকার হিসাবে গণ্য হয়।

ব্যবসা, বাণিজ্য ও লেনদেন (Trade, Commerce and Intercourse)

301. ব্যবসা, বাণিজ্য ও লেনদেন করার স্বাধীনতা।
302. পার্লামেন্ট ব্যবসা, বাণিজ্য ও যে কোনাে লেনদেনের উপর প্রয়ােজনে নিয়ন্ত্রণ আরােপ করতে পারে।
303. ব্যবসা ও বাণিজ্য সংক্রান্ত নিয়মকানুন রচনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারগুলির আইন প্রণয়নের উপর নিয়ন্ত্রণ আরােপিত হবে।
304. অঙ্গরাজ্যগুলির নিজেদের মধ্যে ব্যবসা, বাণিজ্য ও লেনদেনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রণ আরােপ।
305. রাজ্যের একচেটিয়া (State monopolies) অবস্থা কায়েম।
306. এই ধারাটিকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
307. 301 ও 304 ধারা দুটিকে কার্যকর করার উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়ােগের ব্যবস্থা।

রাষ্ট্রকৃত্যক (Public Services)

308. রাষ্ট্রকৃত্যকের সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা।
309. কেন্দ্র ও রাজ্যসরকারী কর্মচারীদের নিয়ােগ ও চাকরীর শর্তাবলী।
310. কেন্দ্র ও রাজ্যসরকারী কর্মচারীদের চাকরীর মেয়াদ বা কার্যকাল।
311. কেন্দ্র ও রাজ্যসরকারী কর্মচারীদের পদচ্যুতি, পদ থেকে অব্যাহতি, পদস্খলন প্রভৃতি।
312. রাজ্যসভা কর্তৃক সৃষ্ট নতুন সর্বভারতীয় কৃত্যক (New All India Service) গঠন।  
312A. বিশেষ বিশেষ চাকরীর ক্ষেত্রে চাকরীর শর্তাদির পরিবর্তন বা বাতিল করার ক্ষমতা পার্লামেন্টের উপর অর্পণ করা হয়েছে।
313. অন্যান্য ব্যবস্থাসমূহ।
314. ধারাটি বাদ দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রকৃত্যক কমিশন (Public Service Commission)

315. কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলির জন্য রাষ্ট্রকৃত্যক কমিশন গঠন।
316, রাষ্ট্রকৃত্যক কমিশনের সদস্যদের নিয়ােগ ও চাকরীর শর্তাদি সংক্রান্ত বিষয়াদি।
317 রাষ্ট্রকৃত্যক কমিশনের সদস্যদের পদচ্যুতি বা অপসারণ সম্পর্কিত বিষয়।
318. কমিশনের সদস্য ও কর্মচারীদের চাকরীর শর্তাদির উপর নিয়ন্ত্রণ আরােপ। উল্লেখ্য কমিশনের সদস্যদের নিয়ােগের পর তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে চাকরীর শর্তাদি পরিবর্তন করা যায় না।
319. রাষ্ট্রকৃত্যক কমিশনের উপর নিয়ন্ত্রণ বা বিধিনিষেধ আরােপ।
320. রাষ্ট্রকৃত্যক কমিশনের ভূমিকা ও কার্যাবলী।
321. রাষ্ট্রকৃত্যক কমিশনের ভূমিকা ও কার্যাবলীর সম্প্রসারণ। উল্লেখ্য পার্লামেন্ট আইন প্রণয়ন করে কমিশনের কার্যাবলী সম্প্রসারিত করতে পারে। 322 রাষ্ট্রকৃত্যক কমিশনের ব্যয়ভার বা খরচ।
323. রাষ্ট্রকৃত্যক কমিশনের রিপোের্ট প্রদান।

ট্রাইব্যুনাল (Tribunals)

323A. প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন।
323B. অন্যান্য ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল গঠন।

নির্বাচন (Elections)

324. নির্বাচন পরিচালন, তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি নির্বাচন কমিশন (Election Commission) গঠন করা হয়েছে।
325. জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও স্ত্রী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিকই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।
326. লােকসভা এবং রাজ্য বিধানসভাগুলির সদস্য নির্বাচন করা হবে সার্বিক প্রাপ্তবয়স্কের ভােটাধিকারের (On the basis of Adult Suffrage) ভিত্তিতে।
327. কেন্দ্রীয় আইনসভার নির্বাচনের ক্ষেত্রে পার্লামেন্টের ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা।
328. রাজ্য আইনসভার নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজ্য আইনসভার ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা। 
329. নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতার উপর নিয়ন্ত্রণ আরােপ। 329A. ধারাটিকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

তফশিলী জাতি, তফশিলী উপজাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীগুলির জন্য বিশেষ সাংবিধানিক ব্যবস্থা গ্রহণ (Special Provisions For SCs, STs and Others)

330. লােকসভায় তফশিলী জাতি, তফশিলী উপজাতি শ্রেণীদ্বয়ের জন্য আসন সংরক্ষণ।
331. লােকসভায় ইঙ্গ-ভারতীয় সম্প্রদায়ের জন্য দুটি আসন সংরক্ষিত থাকবে।
332. রাজ্য বিধানসভায় (Legislative Assembly of State) তফশিলী জাতি, তফশিলী উপজাতি শ্রেণীদ্বয়ের জন্য আসন সংরক্ষণ।
333. রাজ্য বিধানসভায় ইঙ্গ-ভারতীয় সম্প্রদায়ের জন্য একটি আসন সংরক্ষিত থাকবে।
334. ৬০ বছর পরে আসন সংরক্ষণ ও বিশেষ প্রতিনিধিত্বের বন্দোবস্ত বাতিল করা হবে।
335. সরকারী চাকরী ও পদ অর্জনের ক্ষেত্রে তফশিলী। জাতি ও তফশিলী উপজাতি শ্রেণীদ্বয়ের দাবী।
336. নির্দিষ্ট চাকরীর ক্ষেত্রে ইঙ্গ-ভারতীয় সম্প্রদায়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ।
337. ইঙ্গ-ভারতীয় সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্য বিশেষ শিক্ষামূলক ভাতা (Educational grants) প্রদান।
338. তফশিলী জাতি ও তফশিলী উপজাতিদের স্বার্থে বিশেষ আধিকারিক (a special officer) রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত করবেন।

(Scheduled Areas)

339. তফশিলী অঞ্চলের প্রশাসনের উপর কেন্দ্রীয় সরকারের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ও তফশিলী উপজাতিদের কল্যাণার্থে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ।
340. পশ্চাৎপদ শ্রেণীগুলির অবস্থা পর্যালােচনার জন্য বিশেষ কমিশন নিয়ােগ।
341. তফশিলী জাতির সংজ্ঞা।
342. তফশিলী উপজাতির সংজ্ঞা।

সরকারী ভাষা (Official Language)

343. কেন্দ্রের সরকারী ভাষা।
344. সরকারী ভাষার উপর গঠিত কমিশন ও কমিটি পার্লামেন্ট গঠন করবে।
345. রাজ্যের সরকারী ভাষা বা ভাষাসমূহ।
346. কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে অথবা রাজ্যগুলির নিজেদের মধ্যে যােগাযােগ রচনার ক্ষেত্রে সরকারী ভাষার ব্যবহার সম্পর্কিত বিষয়। উল্লেখ্য, কেন্দ্রের সঙ্গে বা আন্তঃরাজ্য যােগাযােগের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের সরকারী ভাষাই ব্যবহার করতে হবে।
347. কোনাে রাজ্যের জনগণের একটি উল্লেখযােগ্য অংশ তাদের ব্যবহৃত ভাষাকে সংশ্লিষ্ট রাজ্য কর্তৃক সরকারী ভাষা হিসাবে স্বীকৃতিদানের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করলে রাষ্ট্রপতি সেই মর্মে রাজ্যকে নির্দেশ দিতে পারেন। এই ভাষা সমগ্র রাজ্যে বা রাজ্যের কোনাে একটি অংশে চালু হতে পারে।
348. সুপ্রীমকোর্ট ও হাইকোর্টগুলিতে ব্যবহৃত ভাষা সম্পর্কিত বিষয় এবং আইন ও বিলের ক্ষেত্রে ব্যবহার্য ভাষা। উল্লেখ্য আদালতের রায়, ডিক্রী বা নির্দেশ জারীর ক্ষেত্রে ইংরাজী ব্যবহার করতে হবে।
349. ভাষা সংক্রান্ত আইনের বিশেষ প্রয়ােগ পদ্ধতি।
350. প্রত্যেক ব্যক্তি প্রচলিত যে-কোনাে একটি ভাষায় কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের কাছে নিজের অভিযােগ ও তার প্রতিকারের আবেদন জানাতে পারে।
350 A. প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে মাতৃভাষায় শিক্ষাদান করা যাবে।
350 B. রাষ্ট্রপতি ভাষাগত সংখ্যালঘুদের স্বার্থরক্ষার জন্য একজন ‘বিশেষ আধিকারিক’ (Special Officer) নিয়ােগ করতে পারেন।
351. হিন্দী ভাষার উন্নয়ন ও প্রসারের জন্য কেন্দ্র প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও নির্দেশ দিতে পারবে।

জরুরী অবস্থা সংক্রান্ত ব্যবস্থা (Emergency Provisions)

352. জাতীয় জরুরী (National Emergency) অবস্থার ঘােষণা।
353. জাতীয় জরুরী অবস্থার ফলাফল।
354. জরুরী অবস্থাকালীন সময়ে রাষ্ট্রপতি বিশেষ আদেশবলে কেন্দ্র রাজ্য রাজস্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে প্রয়ােজনীয় পরিবর্তন করতে পারেন।
355. জরুরী অবস্থাকালীন সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্তব্য রাজ্যগুলিকে বহিরাক্রমণ ও আভ্যন্তরীণ গােলযােগের হাত থেকে রক্ষা করা।
356. রাজ্যে শাসনতান্ত্রিক অচলাবস্থার ঘােষণা বা রাষ্ট্রপতি শাসন (President’s rule)
357. রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন বলবৎ হলে পার্লামেন্ট উক্ত রাজ্যের জন্য আইন প্রণয়ন করতে পারবে।
358. পার্লামেন্ট আইন করে জরুরী অবস্থাকালীন সময়ে 19 ধারায় বর্ণিত ছয়টি স্বাধীনতার অধিকার’ স্থগিত রাখতে বা ক্ষুন্ন করতে পারে।
359. রাষ্ট্রপতি বিশেষ ঘােষণাবলে সামগ্রিকভাবে সকল মৌলিক অধিকার স্থগিত রাখতে বা বাতিল করে দিতে পারেন।
360. আর্থিক জরুরী অবস্থার ঘােষণা।

বিবিধ (Miscellaneous)

361. রাষ্ট্রপতি, রাজ্যপালগণ ও অন্যান্য সাংবিধানিক পদাধিকারীগণের জন্য বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।
362. পার্লামেন্ট ও রাজ্য আইনসভাগুলির কাজকর্মের প্রকাশনার উপর সংরক্ষণমূলক ব্যবস্থা।
363. নির্দিষ্ট চুক্তি, সন্ধি ইত্যাদির ক্ষেত্রে আদালতের হস্তক্ষেপের উপর নিয়ন্ত্রণ আরােপ।
363 A. ‘রাজন্য ভাতার’ (Privy purse) বিলােপ সংক্রান্ত বিষয়।
364. গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও এয়ারপাের্টগুলির সংরক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ।
365. কেন্দ্রের আইনের সঙ্গে সঙ্গতি বা সামঞ্জস্য রক্ষা করে রাজ্য সরকারগুলিকে আইন প্রণয়ন ও শাসন করতে হবে। নচেৎ রাষ্ট্রপতিশাসন ঘােষিত হবে।
366. সংজ্ঞা প্রদান।
367. ব্যাখ্যা প্রদান।
368. পার্লামেন্টের সংবিধান সংশােধন পদ্ধতি।

অস্থায়ী ও বিশেষ ব্যবস্থা (Temporary and special provisions)

369. বিশেষ ক্ষেত্রে পার্লামেন্ট সাময়িকভাবে রাজ্যতালিকা-ভুক্ত কোনাে বিষয়ের উপর যুগ্ম তালিকার ন্যায় আইন প্রণয়ন করতে পারবে।
370. জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা সাময়িকভাবে প্রদান।
371. মহারাষ্ট্র ও গুজরাট রাজ্যের জন্য বিশেষ সাংবিধানিক ব্যবস্থা গ্রহণ।
371 A. নাগাল্যান্ড রাজ্যের জন্য বিশেষ সাংবিধানিক ব্যবস্থা গ্রহণ।
371 B. আসাম রাজ্যের জন্য বিশেষ সাংবিধানিক ব্যবস্থা গ্রহণ।
371 C. মণিপুর রাজ্যের জন্য বিশেষ সাংবিধানিক ব্যবস্থা গ্রহণ।
371 D. অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের জন্য বিশেষ সাংবিধানিক ব্যবস্থা গ্রহণ।
371 E. অন্ধ্রপ্রদেশে ‘কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ (Central University) স্থাপন।
371F. সিকিম রাজ্যের জন্য বিশেষ সাংবিধানিক ব্যবস্থা।
371 G. মিজোরাম রাজ্যের জন্য বিশেষ সাংবিধানিক ব্যবস্থা।
371 H. অরুণাচল প্রদেশের জন্য বিশেষ সাংবিধানিক ব্যবস্থা।
371 I. গােয়া রাজ্যের বিশেষ সাংবিধানিক ব্যবস্থা।
372. বর্তমান আইনের প্রচলন ও কার্যকারিতা।
372 A.রাষ্ট্রপতির আইন রূপায়ণের ক্ষমতা।
373. নিবর্তনমূলক আটক আইনে বন্দী ব্যক্তির ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ জারীর ক্ষমতা।
374. সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিদের জন্য গৃহীত ব্যবস্থা।
375. আদালত, কর্তৃপক্ষ ও সরকারী আধিকারিকদের কার্যাদি বা দায়িত্ব পালন সংক্রান্ত ব্যবস্থা।
376. হাইকোর্টের বিচারপতিদের জন্য গৃহীত ব্যবস্থা।
377. নিয়ন্ত্রণ ও মহাগণনা পরীক্ষকের (CAG) জন্য বিশেষ ব্যবস্থা।
378. রাষ্ট্রকৃত্যক কমিশন (PSC) সম্পর্কিত ব্যবস্থা।
378 A. অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভার কার্যকালের মেয়াদ সংক্রান্ত বিশেষ ব্যবস্থা।
379-391. বর্তমানে বাদ দেওয়া হয়েছে।
392. রাষ্ট্রপতির সমস্যা সমাধানে বিশেষ ক্ষমতাভােগ।

শিরােনাম (Title)

393. সংক্ষিপ্ত শিরােনাম (Short Title)।
394. প্রচলন করা।
394 A. হিন্দীভাষা সংক্রান্ত বিষয়।
395. ধারাটি বাদ দেওয়া হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

12 + 17 =